মানুষের ভয় ভীতি কিছুটা কমবে – প্রিয়তি

0

ফাজবীর তাজ: আয়্যারল্যান্ডের জনপ্রিয় মডেল ও মিস আয়্যারল্যান্ড বাংলাদেশী মেয়ে মাকসুদা আক্তার প্রিয়তি।বরাবরই তার বিভিন্ন ফেসবুক পোষ্টে স্বদেশী মানুষদের বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধার কথা তুলে ধরেন এবং তারমতে কিভাবে সে সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায় তার একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা প্রদান করেন।সেরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে তিনি তার ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন গতকাল এবং বিষয়টি হলো জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস- তার সেই মতামতটি এখানে তুলে ধরা হলো-
দেশের প্রতিটি এ্যাম্বুলেন্স এর সাথে দুইজন করে দক্ষ প্যারামেডিক কর্মী নিয়োগ দেয়া। একজন দক্ষ প্যারামেডিক ই পারবেন দুর্ঘটনা স্থানে/ জরুরী পর্যায়ের মানুষ/রোগীকে প্রাথমিক পর্যায়ে পর্যালোচনা করে সমস্যা নির্ধারণ করে সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঐ সিরিয়াসলি পর্যায়ে ক্ষতিগ্রস্ত/ আঘাতপ্রাপ্ত রোগী/ব্যক্তিকে কিছুটা স্থির বা নিয়ন্ত্রনে আনা, অন্তত হাসপাতালে নেয়ার আগ পর্যন্ত। শুধুমাত্র অক্সিজেন দিলেই রোগী বেঁচে যান না। অনেক সময় ছোট ছোট কিছু যত্ন বা সঠিক চিকিৎসা ও বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি অমূল্য জীবন, যা হয়তো সাধারণ মানুষগুলো জানেন না বা বোঝেন না। এতে মানুষ এর ভিতর থেকে ভয় ভীতি ও কিছুটা কমবে। সাধারণ মানুষ জানতে পারবে কি ঘটছে, ঐ আশংকাময় ব্যক্তির সাথে।
আমি জানি, আপনিও ভালো করে জানেন এই উপরোক্ত বিষয়গুলো এবং এরই সাথে সাথে জানেন যে, কত খানি সংবেদনশীল ও মুূুূল্যবান প্রতিটা মুহূর্ত যখন এ্যাম্বুলেন্স এ করে একজন ইমারজেন্সি রোগী বা দুর্ঘটনায় আঘাতপ্রাপ্ত একজন ব্যক্তিকে হাসপাতালে আনা পর্যন্ত সময় গুলো।
এরই সাথে আমরা আশা করবো, ৯৯৯ সেবা এর সাথে এ্যাম্বুলেন্স গুলোতে জরুরী ইকুইপমেন্ট সরবরাহ করা, আধুনিকায়ন করা। একটি সাইরেন যুক্ত গাড়ী , অদক্ষ কর্মী আর অক্সিজেন কখনও জরুরী সেবার জন্য এ্যাম্বুলেন্স হতে পারে না। তথ্য প্রযুক্তি এর আগে মানুষের মৌলিক যে চাহিদা ” চিকিৎসা” , তার মান উন্নয়ন করা বেশী প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি।
কেননা, আমরা আমাদের কাছের মানুষদের উপযুক্ত সঠিক চিকিৎসা ও তৎপরতার অভাবে হারাতে চাই না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.